1. mdasif669638@gmail.com : Md Asif : Md Asif
  2. admin@banglafeature.com : বাংলা ফিচার : Alamgir Hossain
  3. mdr93557@gmail.com : Rasel Miah : Rasel Miah
  4. sumonahammed714@gmail.com : Sumon Ahammed : Sumon Ahammed
  5. taifurislam94040@gmail.com : Taifur Islam : Taifur Islam
এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা - নিউজ বাংলা। বাংলা ফিচার
শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০২:২০ অপরাহ্ন

এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮১৪ Time View
সেরা ১০ বাংলা সিনেমা
সেরা ১০ বাংলা সিনেমা
83 / 100

এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা সম্পর্কে জানাবো আপনাদের। বাংলাদেশে সিনেমার জন্য এক প্রকার চড়াই-উতরাইয়ের দর্শক ছিল। ব্যবসায়িক দিক থেকে লোকেরা গত দশকে গুটা কয়েক সিনেমার সফলতার মুখ দেখেছিল। এবং অনেকগুলি মানহীন কাজের মাঝেও দারুন কিছু সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। যেসব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সে সময় আসার বার্তা দিয়ে গেছে বিগত দর্শকের ঠিক এমনই কিছু সিনেমার কথা আজ আপনাদের জানাবো।

সেরা ১০ বাংলা সিনেমা

*১* “কমলা রকেট” এই সিনেমাটি মুক্তির সময় হাইট তুলনামূলক অনেক কম ছিল। কিন্তু সিনেমাটি নেটফিক্সে আসার পর আচমকাই এর হাইট অনেক বেড়ে যায়।এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা তে এটি অন্যতম। সিনেমাটি সম্পূর্ণ রয়েল স্টিক এবং এর প্লট ও অনেক বিস্তৃত। একটি স্টিমারে থাকে নানান শ্রেণীর যাত্রীদের গল্প। যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা গল্প, আলাদা জীবনযাত্রা। আবার একই স্থানে রয়েছে উচ্চবিত্ত,নিম্নবিত্ত,রয়েছে ভুক্তভোগী,রয়েছে অত্যাচারী। এবং প্রতিটি গল্পেই বেশ রিলেটেবল। এবং মানুষের মাঝে থাকা জীবন-সংগ্রাম, আশঙ্কা এইসব বিষয়গুলি কিছু আবেগী আবার কিছুটা কমিটির মাধ্যমে দারুন করে তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়।

সবকিছু মিলিয়ে সিনেমাটি কে এক বিশাল মিটিংয়ের দাঁড় করিয়েছে সিনেমার পরিচালক। সিনেমাটি অনেক বেশি আর্টিস্টি কিছুটা হলেও অসাধারণ সিনেমাটোগ্রাফি আর ভালো কিছু ডায়লগ দিয়ে সিনেমাটিকে যথেষ্ট এঙ্গেজ ইন করার চেষ্টা করা হয়েছে। সচরাচর এমন অর্থবহ সিনেমা বাংলাদেশ হয়না। তাই এটি রয়েছে এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা লিস্টের শুরুতে। অফট্র্যাক সিনেমার দর্শক হয়ে থাকলে সিনেমাটি মিস করবেন না। এই ছবির আইএমডিবি রেটিং ৭.৪ এবং গুগোল ৯২%।

 

*২* বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের বিলুপ্ত প্রায় বহু প্রাচীন এক সংস্কৃতিকে সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পরিচালক হুমায়ূন আহমেদ। যার সাথে জমিদারি প্রথার ভিন্নরূপ উঠে এসেছে। সিনেমাটি বাংলাদেশের যে সময় নির্মিত হয়েছিল তখন এটিকে অনেকটা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে সিনেমাটি কে সেই সময়ের অন্যতম সেরা কাজ বলে আখ্যায়িত করা হয়। সিনেমার কনসেপ্টটা দারুণ ইউনিয়নে প্রেজেন্টেশনটাও ভালো লাগার মতই।

তবে সিনেমার অন্যতম প্লাস পয়েন্ট ছিল এর সিনেমাটোগ্রাফি ঘেটুপুত্র কমলা নামে লাভ স্টোরি টেলিং সহজবোধ্যই। তবে অনেকেরই এই জিনিসটা মানিয়ে নিতে সমস্যা হতে পারে। এছাড়া সিনেমার কিছু লোকেশন আর প্রতিটি আর্টিস্টের অভিনয় সিনেমাটি কে আরো দারুন করে তুলেছে। কিংবদন্তি কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের এই ছেলে মাকে দর্শকরা অনেকদিন মনে রাখবে। এই সিনেমার আইএমডিবি রেটিং ছিলো ৭.৪ এবং গুগল লাইক  ৯৪%।

 

*৩* সাধারনের মাঝে অসাধারন কিছু বের করে নিয়ে আসার দক্ষতা যেসব পরিচালকদের আছে তার মাঝে গিয়াসউদ্দিন সেলিম এগিয়ে থাকবেন। সেই “মনপুরা”দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেয় পরিচালক। তার এবারের “স্বপ্নজাল” সিনেমায় ও তার সেই গুণটি বহাল আছে। আপাতদৃষ্টিতে তিনি প্রতিটি সাধারণ গল্পকে তিনি যেভাবে এক্সেকিউট করেছেন তা সত্যিই বাহবা পাওয়ার যোগ্য। সেরা ১০ বাংলা সিনেমা এটি ছিল অন্যতম। তাই এই ‍সিনেমাটিকে রাখা হয়েছে ক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা লিস্টের ২ নাম্বারে।

একটি সাধারন ভাবেই শুরু হওয়া গল্পের মাঝে রাজনীতি,ধর্মীয় বিষয় গুলি ইনক্লুড হতে থাকে আর শেষ পর্যন্ত এক চূড়ান্ত পরিণতির দিকে ধাবিত হয়। তারপরে ও সিনেমার অসাধারণ টেকনিক্যাল কাজের পাশাপাশি প্রত্যেক অভিনেতা শিল্পীগণ দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। তবে সিনেমাটি সেরা হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান পরিচালকের রয়েছে। শেষে এটুকু বলাই যাই সিনেমাটি দেখার সময় আপনি এক আলাদা মোহে একটা পড়ে যাবেন। এই সিনেমার আইএমডিবি রেটিং ৭.৯ এবং গুগোল লাইক ৯৬%।

 

*৪* শাকিব খান একজন ভালো অভিনেতা কিন্তু তাকে একটু ঠিকঠাক ভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। তার সবচেয়ে সেরা উদাহরণ হল “সত্তা” সিনেমা। কারণ এই সিনেমায় শাকিব খান তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফর্মেন্স দিয়েছেন। এই সিনেমাটিতে অনেক বাস্তব অস্বীকার স্টরিলাইন হওয়ার সত্ত্বেও পরিচালক সিনেমাটিকে কিছুটা কমের্সিয়ালস করার চেষ্টা করেছেন। এই সিনেমায় একজন পরিস্থিতির শিকার হওয়া মেয়ে আর একজন নেশাসক্ত ছেলের গল্পকে খুবই নিপুণতা সাথে তুলে ধরা হয়েছে।এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা জায়গা করে নিয়েছে এই ছবিটি। তারই মাঝে রয়েছে তাদের জীবন সংগ্রাম,তাদের বদলে যাওয়ার গল্প এবং তাদের শেষ পরিণতি।

এই সিনেমায় শাকিব খান তার হিরোইক কেরেক্টার থেকে বেরিয়ে এসে একেবারে সাবলীল অভিনয় করেছে। পাওলিদাম কেউ একেবারে ন্যাচারাল লেগেছে। এই সিনেমার জন্য শাকিব খান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান। সবকিছু মিলিয়ে এই সিনেমার দর্শক সমালোচকদের প্রশংসা এরিয়ে বক্স অফিসে হিট হয়েছিল এবং আইএমডিবি রেটিং ৭.৪ এবং গুগোল লাইভ ৯৪%।

 

*৫* হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলীকে নিয়ে সিনেমা তাই সবার এক্সাইটমেন্ট অনেক বেশি ছিল। সিনেমাটি সত্যিকার অর্থেই অনেক ভাল ছিল।তাই এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা  জায়গা করে নিল এটি। গল্প এক সদ্য বিবাহিতা নারীকে নিয়ে। একদিন হঠাৎ করেই সে নানান অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। তার স্বামী বাধ্য হয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মিসির আলি শরণাপন্ন হন এরপর থেকেই মূল গল্পের শুরু।

সিনেমায় দারুন কিছু টুইস্ট ছিল যা আপনাকে অবাক করে দেবে। রহস্য উদ্ধার করতে গিয়ে বেরিয়ে আসতে থাকে নানা অপ্রিয় সত্য। এরকমই এক গল্পকে সুন্দর ভাবে প্রেজেন্ট করা হয়েছে এই সিনেমায়। সিনেমাটি একটু অফট্র্যাকের আবার সামান্য ডার্ক বলতে পারেন। এক কথায় একটু দারুন ইঞ্জয়াবল মুভি। বাংলাদেশী সিনেমার দর্শক হয়ে থাকলে সাইকোলজিকাল মিস্ত্রি থিলারটি মিস করবেন না। এই সিনেমার আইএমডিবি রেটিং ৭.৯ এবং গুগোল লাইভ ৯২%।

 

*৬* প্রচুর আগ্রহ আর হাইট নিয়ে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা। হয়ে গেল বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কমেডি সিনেমা। বলছিলাম গত দশকের অন্যতম সেরা সিনেমা ” ঢাকা এ‍ট্যাক ” কথা। বাংলাদেশ কমার্শিয়াল সিনেমায় একপ্রকার নতুন আশার আলো দেখেছিল সিনেমা। বাংলাদেশ দর্শকরাও সিনেমাটি লুটিয়ে নিয়ে ছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই এখন নির্ভরশীলতা তৈরিতে উৎসাহী হচ্ছে। সিনেমার গল্প প্রায় সবারই জানা সেই সাইকো পুলিশের ইদুর বিড়াল খেলা। সিনেমাটি দর্শকদের ভালো আকর্ষণ করেছিল।তাই এটিও এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা  জায়গা পেল। সবকিছু মিলিয়ে সিনেমাটি বাংলাদেশীদের জন্য এক প্রকার ট্রিট বলা চলে। এই সিনেমার আইএমডিবি রেটিং ৭.৪ এবং গুগল লাইক ৯২।

 

*৭*মোস্তফা সরয়ার ফারুকী একজন দুর্দান্ত বাংলাদেশি পরিচালক। তারই এক অনবদ্য সিনেমার নাম ” টেলিভিশন “। অনেক সমালোচকদের প্রশংসা প্রাপ্ত এবং অনেকগুলি ইন্টারন্যাশনাল সিনেমার দিক হল সিনেমাটিতে কমেডির কমেডি থৌথর রয়েছে এবং তা সম্পূর্ণই রিয়েল স্টিক কমেডিরথ। চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফদের মত ভালো মানের  অভিনেতারা সিনেমাটিতে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন।

তাই এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা এটি তালিকাভূক্ত হলো। মূলত গ্রামীণ জীবনের গোঁড়ামি প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ আর তারই একটি সুন্দর মেসেজ তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে বলতে হয় ক্লাইমেক্সের কথা। সোজা কথায় আপনার মন ছুয়ে যাবে। আপনি যেকোন ধরনের সিনেমার দর্শক হোন না কেন ” টেলিভিশন ” আপনার ভালো লাগবেই। এই সিনেমার আইএমডিবি রেটিং ৮.২এবং গুগল লাইক ৯১%।

 

*৮* বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দুটি সিনেমা “গেরিলা“। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর সিনেমার তালিকায় উপরের দিকেই থাকবে মূলত “গেরিলা” সিনেমাটি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একজন নারীর ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। বলা যেতে পারে একজন নারী মুক্তিযোদ্ধার জীবন সংগ্রাম সিনেমার মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। তার সংসার,চাকরি, মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার বিষয়গুলি খুবই ভালো ভাবে দেখানো হয়েছে।

সিনেমাটিকে এক কথায় দারুন বলা চলে। অসাধারণ চিত্রনাট্যের আর জয়া আহসানের চোখ ধাঁধানো অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময়ে পাকিস্তানিদের নির্মম অত্যাচারের প্রতি গ্রামীণ মানুষের প্রতিবাদের বিষয়গুলি উঠে এসেছে। এছাড়া সিনেমাতে যেভাবে যুদ্ধের সময় দৃশ্যগুলি দেখানো হয়েছিল তা সত্যিই ভাল ছিল। সব মিলিয়ে বলা যায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমন সিনেমা আপনার অবশ্যই দেখা উচিত।এটিও জায়গা করে নিল এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা  লিস্টে। সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৮.২ এবং গুগোল লাইক ৯৬%।

 

*৯* ” আমার বন্ধু রাশেদ ” বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি সিনেমায় আরেকটি মাইলফলকের নাম আমার বন্ধু রাশেদ। বাবা-ছেলের মুক্তিযুদ্ধের সময় কালের স্মৃতিচারণে সিনেমার গল্প গড়ে উঠেছে। সিনেমার মূল প্লোট কিশোর মুক্তিযোদ্ধা অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরদের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে সিনেমার গল্প এগিয়েছে। সিনেমার গল্প টা যেমন ইন্টারেস্টিং সিনেমার প্রেজেন্টেশনে তেমনি আকর্ষণীয়। বিশেষ করে যেভাবে পরিচালক গল্পগুলোতে ফুটিয়ে তুলেছেন তাতে সিনেমাটি দেখার সময় আলাদা একপ্রকার আকর্ষণ হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাধারণ মানুষের অবস্থা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দিকগুলি, মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ,সোলার কিশোরদের দারুন কায়দা করে যুদ্ধে অংশ নেয়া সবকিছুই সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রায় নিয়ে গেছে। তবে যে কথা না বললেই নয় তাহলো কিশোরের অভিনয় সিনেমাটি দেখার আগ্রহ অনেক বাড়িয়ে দেয়।এত সব মিলিয়ে সিনেমাটির সেরার তালিকায় স্থান করে নিতে সমর্থ হয়েছে। এমন আকর্ষনীয় সিনেমা হওয়ায় জায়গা পেল এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা লিস্টে।

*১০* বাংলাদেশের মোস্ট ট্যালেন্টেড ডিরেক্টর তৌকির আহমেদ সিনেমার মেইন স্টরিলাইন প্রবাসী ম্যানপাওয়ার নিয়ে পরিচালিত *অজ্ঞাতনামা*। অনেক মানুষের স্বপ্ন থাকে রোজগারের জন্য বিদেশে পাড়ি জমানোর। তার জন্য তাদের জীবনের স্যাক্রিফাইস,কষ্ট,বিদেশ গিয়ে তাদের কি পরিনতি হয় তা খুবই মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। এছাড়া চাকরির উদ্দেশ্যে বিদেশ গমনের বৈধ-অবৈধ কিছু দেখব সিনেমা দেখানো হয়েছে।

সিনেমার এক্সেকিউশন সিনেমাটির সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। এছাড়া যেসব তুখর অভিনেতারা রয়েছেন তারা সিনেমাটি কে যেন আরও একধাপ উপরে নিয়ে গেছে। বিভিন্ন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছিল তার মাঝে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রয়েছে আইএমডিবি রেটিং ছিলো ৪.২ এবং গুগোল লাইক ৯৫%। এটিও জায়গা পেল এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা লিস্টে।

এছাড়াও রয়েছে হালদার দহন, ইতি তোমারই ঢাকা মাটির প্রজার দেশে, জালালের গল্প এবং বাপজানের বাইস্কোপ বিগত দশকের এরকম চমক। অনেক সিনেমা রয়েছে যেগুলো এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা লিস্টে রাখা সম্ভব হয়নি

দেশি মুরগি পালনের আয় ব্যয় হিসাব জেনে নিন ১০০ পিস

ফেসবুকে যুক্ত হউন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Banglafeature
Theme Customized BY LatestNews