fbpx
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

রঙিন মাছ চাষ করে কিভাবে সাবলম্বি হওয়া যায়।

আসিফ / ৬৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
রঙিন মাছ চাষ
রঙিন মাছ চাষ

81 / 100

** আমাদের বাংলাফিচারে আপনাকে স্বাগতম। আজকের আপনাদের জানাবো রঙিন মাছ চাষ করে কিভাবে সাবলম্বি হওয়া যায়।

** হ‍্যাচারির হাউজের স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কাটছে ডুব দিচ্ছে বাহারি রঙের মাছ। লাল,কমলা,কালো, বাদামি,হলুদ,রুপালি রঙের মাছের ছড়াছড়ি। গোল্ডফিস, কমেন্ট,কইকার্প,মিল্কি,সিল্কি ব্লাকমোর,মলি,গ্রাফি,বাটারফ্লাই গোড়ামি,ফাইটার,এঞ্জেল প্রভৃতি রঙের মাছ দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। প্রতিদিন এসব মাছ দেখতে ও কিনতে ভিড় করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সৌখিন মানুষ বাসাবাড়িতে শোভাবর্ধনে এসব রঙিন মাছ রাখেন একুরিয়ামে।

 

এখন এ মাছ চাষ হচ্ছে যশোরের ঝিকরগাছায় পানির হাউজে ও পুকুরে।

রঙিন মাছ চাষ করে কিভাবে সাবলম্বি হওয়া যায়।

শখের বশে উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের তরুণ সালমান সরদার ২০১৮ সালের বাড়ির একুরিয়ামের জন্য পনেরশো টাকায় সাতটি রঙের মাছ কিনেন। মাছের পেটে ডিম আসায় তা ব্রিডিংয়ের উদ্যোগ নেন তিনি। এরপর থেকে তিনি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন এসব রঙিন মাছ। এ মাছ চাষ করে মাসে তিনি লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন।

রঙিন মাছ চাষ

রঙিন মাছ চাষ

আসুন তার মুখ থেকে জেনে নেই তিনি কিভাবে এ মাছ চাষ করেন?

আমার অফিসে বসেই বিদেশী একটা প্রতিবেদন দেখিয়ে রঙিন মাছের দেখে আমার খুব ভালো লাগে যে মাছগুলো কালারফুল। এগুলো যদি একুরিয়ামে আমার অফিস সেটাপ করি তবে সুন্দর্যটাও বারলো এবং মনের তৃপ্তিটাও হলো। আমি খুলনাতে গিয়ে পনেরশো টাকার মাছ কিনে নিয়ে আসি। ২০১৯ সালের জানুয়ারির দিকে দেখতে পাই যে ওদের পেটে ডিম এসেছে।

এখন বাচ্চা করাবো কি করে?

একরিয়ামের পানি একদিন চেন্জ করি তার পর দেখতে পাই অটোমেটিক ডিম ছেড়ে দিয়েছে। তখন আমার ধারণা হয় যে এরা নতুন পানিতে গেলে ডিম ছাড়বে। পরবর্তীতে আমি ৪ টা হাওজ বানাই। একরিয়াম থেকে মাছ সিফ্ট করে হাওজে নিয়ে আসি।

 

আমার কাছে এখন ৫২ প্রজাতির মাছ আছে। এগুলো আমি নিজে চাষ করি এবং এর উপর রিসার্চ করি যে আরো উন্নত মানের মাছ চাষ করার।

আল্লার রহমতে প্রায় দুই বছর দুই বছর এর ভিতর ২০ বিঘা ভমিতে ১৫ পুকুরে অর্নামেন্টাল ফিস চাষ করতেছি টোটাল বাংলাদেশ আমার এ মাছ সাপ্লাই দিচ্ছি হোম ডেলিভারি সহ। টোটাল বাংলাদেশ ১২০ সফল উদ্যোক্তা তৈরি করেছি এবং কোনো প্রতিবন্ধী ভাই বা বোন যদি উদ‍্যোক্তা হতে চায় তবে তাদের সম্পূর্ণ ফ্রি মাছ দিয়ে আমরা উদ‍্যোক্তা তৈরি করে দিচ্ছি।

 

আমার এখানে ১৫ জন কাজ করে। আমারা বাংলাদেশের মোট চাহিদার ৩০-৪০ ভাগ পূরণ করতে পারছি আর ৬০-৭০ ভাগ মাছ আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। আমার চেষ্টা করছি ভালো কোয়ালিটির মাছ চাষ করার এবং আমাদের তিব্র চেষ্টা আছে বাংলাদেশের এ মাছের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করার।

প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে বা আপনি যদি কোনো ভাবে সাবলম্বি হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান।

থাই সরপুঁটি মাছের চাষ পদ্ধতি

আপনার মতামত কমেন্ট করে জানান

টার্কি মুরগি কম ডিম দিচ্ছে? যা করতে হবে

ফেসবুকে যুক্ত হউন


আপনার মতামত লিখুন :

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ