fbpx
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২২ অপরাহ্ন

পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও অদ্ভুত কিছু জায়গা।

মোহাম্মদ আসিফ / ৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও অদ্ভুত কিছু জায়গা। 1

83 / 100

পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও অদ্ভুত কিছু জায়গা।

কেমন আছেন বন্ধুরা…?
আশাকরি ভালো আছেন। আজকে আপনাদের জানাবো পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় জায়গা সম্পর্কে।

রহস্যময় জায়গা সম্পর্কে জানুন।

 

আপনাকে কেউ জিজ্ঞেস করে, এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্যময় কোনটি ?
তাহলে আপনি হয়তো অনেক উত্তর দিতে পারেন। কিন্তু একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, এই পৃথিবী নিজেই একটি বিশাল রহস্যময় নাম।

 

রহস্যময়

রহস্যময়

 

 

আর এই পৃথিবীতে এমন কিছু রহস্য ও অদ্ভুত জায়গা আছে যাদের বেপার হয়তো আপনি কখনো শোনেননি। এমনকি বিজ্ঞানীরা ও এসকল জায়গা সম্বন্ধে সঠিক তথ্য খুঁজে পেতে হিমশিম খেয়ে যায়।

 

আন্ডার ওয়াটার, ওয়াটারফল বা প্রাকৃতিক ঝর্ণা সত্যি প্রকৃতির এক অসাধারণ সুন্দর জিনিস। আর এই ঝরণা গুলো যে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেলতে পারে। কিন্তু অসাধারন ভাবেই দেখতে এত সুন্দর এই ঝরনা গুলি যদি সমুদ্রের ভিতরে থাকে তাহলে সেটি ঠিক কতটা সুন্দর হতে পারে একবার কল্পনা করে দেখুন। আর সাউথ আফ্রিকাতে এইরকম একটি ওয়াটারফল আছে।

 

 

রসহ্যময় জায়গা।

 

যা দেখতে এইরকম, তবে এটিকে দেখতে পুরোপুরিভাবে সমুদ্রের নিচে অবস্থিত এর আকৃতি ঝরনা মনে হলেও এটি কিন্তু আসলে তা নয়। বরং এখানে সমুদ্রের নিচে যে গর্ত থেকে দেখতে পারছেন বাস্তবে এতো বড় গরত নয়। এখানে একটি গর্ত আছে, কিন্তু এখানে থেকে বালু ও লবণের আকৃতি এইরকম যে এটিকে উপর থেকে দেখে মনে হবে এটি একটি খুবই গভীর সমুদ্রের নিচে অবস্থিত প্রাকৃতিক ঝর্ণা।

 

রহস্যময়

রহস্যময়

 

ব্লাডফল…..এতক্ষণ তো আমরা ওয়াটারফল এর ব্যাপারে জানলাম যা খুবই সুন্দর। কিন্তু এখন আমরা জানতে চলেছি ব্রাড কল বা রক্তের ঝর্ণা।

 

 

একবার চিন্তা করুন এটি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তবে ভয় পাবার কিছু নেই কেননা এটি সত্তিকারের রক্ত নয়। আন্টার্টিকায় বিভিন্ন জায়গায় বরফ গলে বিভিন্ন ওয়াটার ফলে সৃষ্টি হয় আর তার মতো এটি একটি। যেখানে সাধারন গ্লেসিয়ার গলা পানি রক্তের মতো লাল আকৃতি ধারণ করে। প্রথমবারের মতো এটি দেখে বিজ্ঞানিরা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল এটি ঠিক কি কারণে হতে পারে তা ভেবে।

 

 

অনেক রিচার্জে পর বিজ্ঞানিরা জানতে পারেছে যে, এটি সাধারনত সেখানে থাকা আয়রন অক্সাইডের পরিমান বেশি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। মানে যে জায়গার বরফ গলে এটি সৃষ্টি হয়েছে ঠিক সেই জায়গায় আয়রন অক্সাইড মজুদ থাকে।

 

 

 

বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী এই কারণেই এরকম হয়ে থাকে। ব্লাড ফলের আকৃতি পুরোপুরিভাবে মাপা হয় নি। কিন্তু এটি 400 মিটার এর আশেপাশের হবে, এই ব্লাডফলটি1911 সালে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করা হয়েছিল । গোহার সম্বন্ধে তো আপনারা সবাই জানেন যার ভিতর অনেক অন্ধকার হয়। প্রত্যেক গোহাই একটা ভয়ঙ্কর হয়। কিন্তু আলাস্কাতে এমন একটি গুহা আছে যেখানে গেলে আপনার মনে হবে সেখানেই থাকি। কেননা এই গোহাটি দিনের বেলায় অন্ধকার হয় না এর কারণ হচ্ছে এই গুহার ছাদ পুরোটাই তৈরি হয়েছে বরফ দিয়ে। অসাধরণ সুন্দর দেখতে এই গুহাটিকে প্রত্যেক বছর হাজার হাজার মানুষ নিজের চোখে দেখার জন্য আলাস্কাতে যায়।

 

 

এরকমই আরো অনেক বরফে ঢাকা গুহা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আছে। কিন্তু তাদের সবার থেকে এই গুহাটি অনেক স্পেশাল। কেননা এই গুহা 40 কিলোমিটার লম্বা, আর যার কারণে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের করার মর্যাদা অর্জন করে নিয়েছে।

 

 

তাছাড়া এটি পৃথিবীর একমাত্র জায়গা যেখানে আপনি ওয়াটার সাইকেল দেখতে পারবেন। এটিই একমাত্র জায়গা যেখানে আপনি পানি গলতে দেখতে পারবেন আবার সেই সময়ে পানি বরফে পরিণত হতে দেখতে পারবেন।

 

 

এই জায়গাটি যেমন অদ্ভুত তেমনি এই জায়গাটি একটি অসাধারণ সুন্দর জায়গা। আর তার পেছনে সব চেয়ে বড় কারন হচ্ছে এর ভিতরে সব সময় নীল রঙের আলো দেখা যায়। সাধারণত এই বরফ সকল প্রকার রংকপ রিফ্লেক্ট করে দিতে পারে। শুধু নীল রং এটিকে ভেত করে ভিতরে আসতে পারে। যার কারণে এই অসাধারণ সুন্দর পরিবেশটিকে উপভোগ করা যায়।

 

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ও বিপজ্জনক ভ্রমণ এর জায়গা কোনোটি?জেনে নিন।

ফেসবুকে পড়ুন।


আপনার মতামত লিখুন :

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ