1. mdasif669638@gmail.com : Md Asif : Md Asif
  2. admin@banglafeature.com : বাংলা ফিচার : Alamgir Hossain
  3. mdr93557@gmail.com : Rasel Miah : Rasel Miah
  4. sumonahammed714@gmail.com : Sumon Ahammed : Sumon Ahammed
  5. taifurislam94040@gmail.com : Taifur Islam : Taifur Islam
তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ আমাদের সকলের জানা জরুরী। - নিউজ বাংলা। বাংলা ফিচার
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ আমাদের সকলের জানা জরুরী।

সুমন আহম্মেদ
  • Update Time : শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৫০৯ Time View
তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ
তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ
82 / 100

তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ আমাদের সকলের জানা জরুরী।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,, আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
সুপ্রিয় বাংলা ফিচারের দর্শক-শ্রোতা আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর অশেষ রহমত ও দয়ায় আপনারা প্রত্যেকে ভাল আছেন। প্রিয় দর্শক আপনারা জানেন ইসলাম ধর্মে জেনা অনেক বড় অপরাধ। এই অপরাধটি প্রমানিত হওয়ার জন্য যেমন শক্তিশালী প্রমান দরকার,তেমনি প্রমাণিত হলে, যদি ইসলামিক রাষ্ট্র হয় তাহলে শরীয়ত সম্মত শাস্তি সেটাও অনেক কঠোর। জেনা ব্যভিচার হত্যাকাণ্ডের চেয়েও জঘন্য। কারণ একজনকে হত্যা করলে, তার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু জেনার দ্বারা ব্যক্তি পরিবার সহ এবং পুরু সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাই এই অপরাধীর শাস্তি খুবই কঠোর। তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

এবং এই অপরাধ প্রমাণের বিধান ও কঠোর। এই জেনা সংক্রান্ত একটি চমৎকার ঘটনা: হাদিস শরীফের আলোকে আজ আলোচনা করব। (**ঘটনাটি হল: একদিন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু মদিনার একটি পথ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন, তখন তিনি দেখলেন এক নারীকে কিছু লোক টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই নারী ভয়ে কাঁপছে আর কাঁপছে।

 

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু যখন এই ঘটনাটি দেখলেন, তাদের প্রশ্ন করলেন তোমরা এই নারীকে কেন টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছ? তখন লোকেরা বলল: এই নারী জেনা করেছে!আর হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ফায়সালা শাস্তি অনুযায়ী তাকে পাথর নিক্ষেপ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এদের এই কথা শোনার পর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু: সেই নারীকে তাদের থেকে ছাড়িয়ে নিলেন, এবং সেই নারীকে ছেড়ে দিতে বললেন। আর লোকেদের ধমক দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দিলেন।

 

অতঃপর লোকেরা হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর কাছে গিয়ে বিস্তারিত সব বিষয়ে বর্ণনা করলেন। তখন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু সব কথা শুনে বললেন, আমার ভাই আলী যে কাজ করেছে এর পেছনে হয়তো এমন কোনো কারণ রয়েছে, যা হয়তো আলীর জানা আছে। সে ব্যাপারে হয়তো আমার বেখবর। নিশ্চয়ই এর পেছনে যে কোন হেকমত লুকিয়ে আছে। যা আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু জানেন, আমরা হয়তো জানি না। তাই হরযত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন তোমরা আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে ডেকে আন আমি তার কাছ থেকে এ বিষয়ে জানব। অতঃপর কথামতো হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে ডেকে আনা হলো।

 

হযরত আলীকে যখন ডাকা হলো: তখন হরযত আলী খুবই জালালি হাসতে ছিলেন, হযরত ওমর জিজ্ঞেস করলেন; হে আলী! আপনি কেমন আছেন? আপনি কেন এসব লোকদেরকে হটিয়ে দিলেন, আর এই নারীর উপর আমি শাস্তি প্রয়োগ এর নির্দেশ দিয়েছিলাম। আপনি তাকে শাস্তি প্রয়োগ করতে নিষেধ করেছেন, এর কারণ অনুগ্রহ করে জানতে পারি কি? তখন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন: হে আমীরুল মু’মিনীন আপনি কি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর এই কথাটি শোনেননি?

যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন: তিন ধরনের লোকের উপর থেকে কলম তুলে নেওয়া হয়! অর্থাৎ তাদের আমল লেখা হয়না, তারা বেকুসুর,তারা বেগুনাহ, তারা হলেন:
১. যে লোক ঘুমায়, যতক্ষণ পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত জেগে না উঠে: ততক্ষণ পর্যন্ত সে বেগুনাহ।
২. সেই লোক, যে এখনো নাবালেক,যতক্ষণ না সে বারেক হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তার উপর থেকে সকল আমল লেখা তার জন্য স্থগিত বা বন্ধ হয়ে থাকে! গুনাহ লেখা হয় না।
৩. সেই লোক যে পাগল অবস্থায় থাকে।আর পাগল অবস্থায় থাকলে তার জন্য কলম বন্ধ থাকে।তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

তখন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, হে আলী আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর এই কথাটি শুনেছি।এবার, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেছেন, হে আমীরুল মুমিনীন এই নারী মাঝেমধ্যে পাগল হয়ে যায়। হতে পারে যে লোক এর সাথে জেনা করেছে, সে-ই নারীর পাগল অবস্থায় এ কাজটি করেছে।হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু যখন হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর কাছ থেকে এই কথাটা শুনলেন তখন এই নারীকে মুক্ত করে দিলেন।তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

[{এই হাদীসটি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রছ:) তাঁর মুসনাদে আহমদে বর্ণনা করেছেন, এবং এটি আবু দাউদ শরীফের হাদিস নাম্বার ৪৩৯৮,৪৩৯৯,৪৪০৩ এসেছে।}]

তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

তিন প্রকারের লোক যেনা করেও নির্দোষ।

মানুষের ঘরে বড় হচ্ছে বাঘ। বাঘ শাবকের নাম জো বাইডেন

ফেসবুকে যুক্ত হউন

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Banglafeature
Theme Customized BY LatestNews