1. mdasif669638@gmail.com : Md Asif : Md Asif
  2. admin@banglafeature.com : বাংলা ফিচার : Alamgir Hossain
  3. mdr93557@gmail.com : Rasel Miah : Rasel Miah
  4. sumonahammed714@gmail.com : Sumon Ahammed : Sumon Ahammed
  5. taifurislam94040@gmail.com : Taifur Islam : Taifur Islam
চিত্রনায়িকা রত্না কবির সুইটির গল্প - নিউজ বাংলা। বাংলা ফিচার
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

চিত্রনায়িকা রত্না কবির সুইটির গল্প

তাইফুর ইসলাম
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯০৬ Time View
চিত্রনায়িকা রত্না
চিত্রনায়িকা রত্না
82 / 100

চিত্রনায়িকা রত্না। প্রিয় বন্ধুগন স্বাগত জানাচ্ছি আপনাদের বাংলাফিচারে। আজকে আপনাদের জানাবো এখনকার সময়ের চিত্রনায়িকা রত্না কবির সুইটির সম্পর্কে ও কিভাবে তিনি কাজের পাশাপাশি লেখাপড়া করেছেন।

২০০৩ সালে ফেরদৌসের বিপরীতে একটি ছবির মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তিনি কেমন আছেন তার জীবন কেমন যাচ্ছে আজকে তিনি কি কারণে এইপ্রিসিতে এসেছেন এই সমস্ত কিছু নিয়ে।

চিত্রনায়িকা রত্না

কেমন আছেন? কেমন যাচ্ছে আপনার দিন?

রত্না কবির বলেন,আলহামদুল্লাহ। আমার দিন কাল ভালোই যাচ্ছে। এই কবিড ১৯ এ বেঁচে আছি। তাই বলতেই হবে ভালো আছি। অনেক দিন পরে নির্বাচনের পার্পাসে এই প্রিসিতে এসেছেন।

এখন নির্বাচনের পরিস্থিতি কেমন লাগছে?

নির্বাচনে আমাদের সবার সাথে দেখা হয়। একটা আমেজ থাকে। হৈ-হুল্লোড় একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এটাই ত আমরা পাই। এছাড়া কোভিড 19 এ অন্য কিছু আশা করা যায় না। এই ভেবে ভীষণ ভালো লাগছে যে বেঁচে আছি সবাই বেঁচে আছে। অনেকে চলে গেছে পৃথিবী থেকে। বেশিরভাগ তার কাছের মানুষ গুলোকে দেখতে পাচ্ছি বলেন চিত্রনায়িকা রত্না। ছয় মাস আগেও ভাবতে পারিনি যে সবার সাথে আবার দেখা হবে। আমি খুব ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।

আপনি যাদের ভোটে দিয়েছেন?

হ‍্যা।
আপনি যাদের ভোট দিয়েছেন  তারা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কতটুকু?

আমার মতে যারা যোগ্যপ্রার্থী তাদেরকে আমি ভোট দিয়েছি। এখন অন্যান্যদের কাছে তারা কতটা যোগ্য বা যারা ভোট দিয়েছে তারা যোগ্যতাকে বিচার করার কতটা যোগ্যতা রাখেন তা আমি জানি না বলেন চিত্রনায়িকা রত্না।

এবার একটু পেছনের দিকে যাই,২০০৩ সালে যখন আপনি চলচ্চিত্র আত্মপ্রকাশ করে তখন আপনি ক্লাস সেবেনে পরতেন।  এর পরেও আপনি এত ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে পড়াশোনা কিভাবে শেষ করেছেন?
আমরা জানি আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাশ করে আমি  ল পড়েছি বর্তমানে আমি জর্জ কোর্টে আছি বলেন চিত্রনায়িকা রত্না। আমার সিনিয়র হচ্ছেন সামিউল করিম আলমগীর স্যার ওনার সাথে প্র্যাকটিস করছি। এটা আসলে কি বলবো যে,ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়…..যে রাঁধে সে কিন্তু চুল বাঁধতেও বাধে।।

আমি কষ্ট করে এই সমস্ত করেছি। ফজরের আযান দেওয়ার সাথে সাথে আমি উঠে যাই। ঐ সময় আমি আমার সমস্ত পার্সোনাল যে কাজ গুলো আছে ওগুলো করতাম। আর পড়াশোনা করেছি বলে আল্লাহর রহমতে এটা নিয়ে আমি গর্ব করি। আমি ফিল্ম সেলিব্রেটি বা আমি নিজে দেখতে কেমন এটা নিয়ে আমি মোটেই চিন্তিত নই। আমি স্টাডি করেছি বলেই আজকে যে আপনি মাইক ধরেছেন আমি কিন্তু ভয় পাচ্ছি না।

চিত্রনাইকা রত্না কবির সুইটি এখন এডভোকেট রত্না কবির সুইটি।

কেমন লাগে?

দুইটা পরিচয়ের মধ্যে কোনটা বেশি ভালো লাগে?

আইনটা আমি শিখছি,যখনই আমি খুব নতুন আইন পেশায়। আমি যখন প্রথম বার কোর্টে যাই সবাই আমাকে দেখে বলে আপু কোন ছবির শুটিং করতে আসছেন? যদিও আমিই চেষ্টা করছি কেউ বুঝতে না পারে আমি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী না একজন স্টুডেন্ট বলেন চিত্রনায়িকা রত্না। আমি চেষ্টা করছি ওই জায়গায় থেকে আমি নিজেকে শক্ত ভাবে দাঁড়া করাতে। সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে যে কোন ছবির সুটিং করছি। তারা মনে করে যে আমি  উকিলের বেশি শুটিং করছি। প্রথম যখন এসছিলাম তখন একটু নার্ভাস ছিলাম আর এখন হচ্ছে গিয়ে নার্ভাসনেস টাকাটি একটু কথা বলতে পারছি আর কি।

চলচ্চিত্রের অবস্থা কেমন দেখছেন? আসলে তখন কেমন ছিল এখন কেমন? তখন তো অনেক বেশি ছবি মুক্তি পেত প্রচুর হলে হলে মানুষ ছবি দেখতেন। এখন মানুষ কি দেখছেন সব ছবির? মুক্তি সংখ্যা  কিন্তু অনেক কমে গেছে বলেন চিত্রনায়িকা রত্না।

কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল পিছিয়ে পড়েছেন। বর্তমান সরকার কোন কিছুকে পিছিয়ে থাকতে দিচ্ছে না ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে সাথে সাথে ডিজিটাল চলচ্চিত্র যখন হয়েছে। ডিজিটাল আমরা কাজ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।

 

আপনাকে রাজনীতিতে একটু দেখতে পাচ্ছিলাম। ২০১৪ সালে আপনি মনে হয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
হ‍্যা,,,২০১৪ সাল তখন আমি একাই মনে হয় আমাদের চলচ্চিত্র থেকে নমিনেশন পেপার নিয়েছিলাম। তখন চলচ্চিত্রের একজন অভিনেত্রী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণভবনে দেখে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। আমি আসলে মাঠকর্ম করতে পারিনি। একটা বিশেষ কারণ ছিল। অ্যাডভোকেট যেখানে আমি ল প্রফেশনে আছি আমি বলবো যেহেতু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত ছোটবেলা থেকে ডটার অফ ফ্রিডম ফাইটার স্টুডেন্ট বলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের জন্য কিছু করব। সেটা এমপি হতে হবে না আমি  ছোটবেলা যেটা ভেবেছি ত ভেবেছি। এখন সেটা অন্য ভাবে করবো।

 

আপনার চারপাশে ভক্তরা ঘিরে ধরেছে তার সেলফি তুলতে চায় কেমন লাগে এখন আর আগে  কেমন লাগতো?

আজকে অনেক পেইন ছিল। আজকে ভালোলাগার মধ্যেও একটু কেমন যেন মাথাটা পেইন করছিল। ভালো লাগে….ওনাদের জন্যেই ত বেঁচে থাকা। খারাপ লাগে না যদিও মাঝে মাঝে আশেপাশে যারা থাকে ওনারা একটু অসম্মানিত হয়ে যায় ওই জিনিসটা আমার  খারাপ লাগে। আমি চাই সবার সাথে পার্টিসিপেট করতে। কিন্তু মানুষ তো একটা কি করবো বলেন…?

অনেক অনেক ধন্যবাদ ওঅনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।।।

সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবন। ধন্যবাদ সকলকে।।।

পপিকে বিয়ে করতে চাওয়া যুবকের পরিচয় পাওয়া গেলো।

এক দশকের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা

ফেসবুকে যুক্ত হউন

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Banglafeature
Theme Customized BY LatestNews