1. mdasif669638@gmail.com : Md Asif : Md Asif
  2. admin@banglafeature.com : বাংলা ফিচার : Alamgir Hossain
  3. mdr93557@gmail.com : Rasel Miah : Rasel Miah
  4. sumonahammed714@gmail.com : Sumon Ahammed : Sumon Ahammed
  5. taifurislam94040@gmail.com : Taifur Islam : Taifur Islam
কোয়েল পাখির ডিম খেলে কি হয়? এর উপকারিতা ও অপকারিতা কি? - নিউজ বাংলা। বাংলা ফিচার
শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০২:২৫ অপরাহ্ন

কোয়েল পাখির ডিম খেলে কি হয়? এর উপকারিতা ও অপকারিতা কি?

আসিফ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
  • ১৯৪৫ Time View
কোয়েল পাখির ডিম
কোয়েল পাখির ডিম
83 / 100

** প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনাদের জানাবো কোয়েল পাখির ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে।

আমাদের দেশে ইদানিং খাবার হিসেবে কোয়েল পাখির ডিমের বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যাচ্ছে। গড়ে উঠছে অনেক কোয়েল পাখির খামার। তাই কোয়েল পাখির ডিম পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারের কথা জানতে চান অনেকে।

প্রথমে মাথায় রাখা দরকার কোয়েল পাখির ডিম খুবই ছোট। একটি কোয়েল পাখির ডিম বড়জোর ৯ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে ।যেখানে একটি মুরগির ডিম ৫০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। তাই পরিমাণের দিক দিয়ে পাঁচটি কোয়েল পাখির ডিম একটি মুরগির ডিমের সমপর্যায়ের হয়ে থাকে।

কোয়েল পাখির ডিম

চলুন জেনে নেই কোয়েল পাখির ডিম কতটা পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

** প্রোটিন আরও শক্তিশালী উচ্চ কলেস্টেরল ভিটামিন b1 b2 ও ভিটামিন এ আছে। মুরগির ডিমের চেয়ে কোয়েলের ডিমে ভিটামিন b1 ছয় গুণ এবং ভিটামিন b2 পনেরো গুণ বেশি থাকে। এ পরিণত পুষ্টিকর এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

কোয়েল পাখির ডিম

কোয়েল পাখির ডিম

 

** দেহের শক্তি বাড়ায়। কোয়েল পাখির ডিম আমাদের শরীরের জন্য বেশ ভালো একটি শক্তির উৎস হতে পারে। কোয়েলের ডিম প্রোটিন ও আয়রনের সমৃদ্ধ যা শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়িয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সব ধরনের প্রোটিন অ্যামাইনো এসিড দ্বারা তৈরি চেইন দিয়ে গঠিত হয়। কোয়েলের ডিমের অ্যামাইনো এসিডের প্রোফাইল তৈরি করে দেখা যায় এতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অ্যামাইনো এসিড বিদ্যমান।

 

শরীরের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে এদের মধ্যে কয়েকটি অ্যামাইনো এসিড বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। অন্য কারো অ‍্যামাইনো এসিড হয়েছে যারা টিস্যুর ক্ষয় রোধ ও নতুন টিস্যু গঠন করে। এছাড়াও কোয়েল পাখির ডিমে পাওয়া যায় লাইসিন অ্যামাইনো এসিড যা শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি এবং হরমোন,কোলাজেন ও এনজাইম উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। নতুন রক্ত তৈরিতে আয়রনের ভূমিকা বেশ তাৎপর্যবহ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে অ্যানিমিয়া ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। যার ফলে ঘন ঘন কাশি ও শ্বাসকষ্টের অসুবিধা দেখা যায়।

 

কোয়েল পাখির ডিম মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করে। আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন b12 ও ভিটামিন b2 বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন b12 আমাদের শক্তি প্রয়োগ করতে সহায়ক।কোয়েলের ডিম ভিটামিন বি টুয়েলভ এবং রিবোফ্লাভিন এর একটি ভালো কিছু পরিমাণ থাইমিন বিদ্যমান থাকে।

 

** যকৃত,ত্বক,চুল ও চোখের সুরক্ষা দেয়। রিবোফ্লাভিন যা মূলত ভিটামিন b2 নামে পরিচিত দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া জন্য খুবই দরকারি। সাধারণভাবে ভিটামিন b2 সহ অন্যান্য ২০ শ্রেণির এর ভিটামিন আমাদের লিভার, ত্বক,চুল ও নখের সুস্থতা নিশ্চিত করে। শরীরে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনেও রিবোফ্লাভিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোয়েলের ডিমের আকারের অনুপাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রিভোফ্লাবিন। একের অধিক কোয়েল পাখির ডিম নিয়মিত খেলে তা আমাদের লিভার,ত্বক,চুল,নখের সুস্থতার জন্য যথেষ্ট।

 

** ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কোয়েলের ডিমের প্রাপ্ত খনিজ উপাদান গুলোর একটি হল সেলেনিয়াম। এ খনিজ দ্রব্যটি প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সেলেনিয়ামের রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকোষকে ক্ষয় হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এইচআইভি ও ক্রন্স ডিজেস আক্রান্ত মানুষের দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব লক্ষ করা যায়। স্বাভাবিক মানুষের শরীরে সেলেনিয়ামের তেমন ঘাটে পরিলক্ষিত না হলেও প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে সেলেনিয়াম যুক্ত খাদ্য রাখাটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। সে ক্ষেত্রে কোয়েল পাখির ডিম অনেক সহায়তা করতে পারে।

 

** দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ এর উৎস কোয়েলের ডিম কাজেই দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের পেশির দেখভাল করে। চোখে ছানি পড়তে দেয়না। চোখের বেশ কিছু সাধারণ সমস্যা দূর হয়।

** কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফ্যাটি এসিড আছে এই পাখির ডিমে। কোয়েলের ডিমের ফ্যাটের ৬০ শতাংশই এইচডিএল রক্ষায় ব্যয় হয়। ফলে দেহে ভালো কোলেস্টেরল ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

 

**কোয়েল পাখির ডিম  উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এই ডিমে পটাশিয়ামের উপস্থিতি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। এই খনিজ রক্তবাহী নালী এবং শিলিগুড়িতে আরাম দেয় ফলে এগুলো সুষ্ঠুভাবে কাজ করে। তুলনামূলকভাবে মুরগির ডিমের চেয়ে অনেক বেশি পটাশিয়াম রয়েছে কোয়েলের ডিমে।

 

** কোয়েল পাখির ডিম দেহ পরিষ্কার করে। দেহকে বিষ মুক্ত করা অতি জরুরী বিষয়। পরিবেশের অনেক ক্ষতিকর উপাদান দেহে প্রবেশ করে দূষণ ঘটায়। রক্তপ্রবাহ থেকে এসব উপাদান বের করে দিতে দারুন ভূমিকা রাখতে পারে কোয়েলের ডিম। মূত্রথলি এবং কিডনিতে পাথর হতে বাধা দেয়।

** কোয়েল পাখির ডিম এলার্জি নিরাময় করে। ডিমের সাদা অংশে থাকে ওহোমিও কয়েকটি প্রোটিন। এটা প্রাকৃতিক এনটিআরসি এর মত কাজ করে। রক্ত জমাট বাঁধা ইনফর্মেশন শহর এলার্জি বিভিন্ন লক্ষণ থাকলে কোয়েলের ডিম অনেক উপকারী।

 

সাবধানতা!!!
এই ডিমে সামান্য পরিমাণের সম্পৃক্ত ফ‍্যাট আছে কাজেই অতিমাত্রায় খাওয়া ঠিক না। তাছাড়া এমনিতে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। যে কোনো ডিমই নিঃসন্দেহে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখার মত একটি খাবার। কোয়েলের ডিম ও তাই। এটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট এর অবিচ্ছেদ্য উপাদান হতে পারে। তবে মাথায় রাখতে হবে এ ডিমে আছে বেশ ভালো পরিমাণে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল। যা অন্যান্য ফেক্টরের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

তাই আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে থাকে কিংবা কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণের হিমশিম খেয়ে থাকেন ডিম খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হওয়া তখন একান্ত কর্তব্য।

আপনার মতামত কমেন্ট করে জানান

টার্কি মুরগি কম ডিম দিচ্ছে? যা করতে হবে

ফেসবুকে যুক্ত হউন

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Banglafeature
Theme Customized BY LatestNews