fbpx
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১২ অপরাহ্ন

এলিসা কার্সেন মঙ্গলে যাওয়ার জন্য বিয়ে ও সন্তান ধারণ করতে পারবেন না। নাসা

আসিফ / ৫৬৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
এলিসা কার্সেন মঙ্গলে
এলিসা কার্সেন মঙ্গলে যাওয়ার জন্য বিয়ে ও সন্তান ধারণ করতে পারবেন না। নাসা

81 / 100

প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনাদের জানাবো মঙ্গল অভিযান ও এক মঙ্গল এলিসা কার্সেন অভিযাত্রী সম্পর্কে। মানুষ মাত্রই স্বপ্ন দেখে। কেউ জীবনকে গুছিয়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায় আবার কেউ স্বপ্ন দেখে জীবনের ভিন্ন কিছু করে তাক লাগিয়ে দেওেয়ার। তবে এমন একজনের কথা বলব যার স্বপ্ন আর দশজনের মতো নয়। একেবারেই ভিন্ন। তিনি হলেন এলিসা কার্সেন। ১৯ এ পা রাখবেন মার্চ মাসে। তবে এই বয়সে তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন পৃথিবী থেকে মহাবিশ্বে হারিয়ে ফেলার জন্য।

কবি সুকান্ত দিয়েছিলেন পৃথিবীর বুকে আঠারো আসুক নেমে। তবে এলিসা পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যেতে চাই ১৮ বছর বয়সে। পৃথিবীতে নেমে আসা নয় মঙ্গলের বুকে হারাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলিসা। যদিও মঙ্গলের পথে একমুখী যাত্রা এখনই শুরু হবে না। এই না ফেরার যাত্রা কিংবা নতুন গ্রহের পদার্পণ ২০৩৩ সালে। তখন তার বয়স হবে ৩২। তবে এই তাকে নিতে হয়েছে বেশ কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত।

এলিসা কার্সেন মঙ্গলে যাওয়ার জন্য বিয়ে ও সন্তান ধারণ করতে পারবেন না

নাসার মঙ্গলের অভিযানের যাওয়ার পর পৃথিবীতে আর ফেরা হবে কিনা কেউ বলতে পারে না। তার আর নাও হতে পারে এই সত্য মেনে নিয়েছেন এলিসা।এলিসা কার্সেন কে কিছু শর্ত মেনে নিতে হয়েছে। নাসার সাথে একটি নিষেধাজ্ঞা পত্রে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে।

এলিসা কার্সেন

এলিসা কার্সেন

সে বিয়ে করতে পারবে না। কোন প্রকার যৌন সম্পর্ক কিংবা সন্তানধারণের মতো কোন কাজ করবে না সে। এই বয়সে একটি মেয়ের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিনই বটে। পুরো জীবনই তার সামনে পড়ে আছে। তবু তার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া ।

নাসার সবচেয়ে ছোট সদস্য এলিসা কার্সেন। নাসাতে সাধারণত ১৮ বছর আগে কাউকে নভোচারী হবার সুযোগ দেয়া হয় না কিন্তু এলিসা পেয়ে গেছে সুবর্ণ সুযোগ। নাসা ও চেয়েছে মঙ্গল অভিযান এবং মঙ্গলের বুকে প্রাণের বসতি গড়বার নিরন্তর প্রচেষ্টার মিশনে প্রস্তুতি গ্রহণ করার সময় নিয়ে।

এলিসার বয়স যখন ৯ তখন তার সাথে দেখা হয় নাসার এক মহাকাশচারী সান্দ্রা-ম‍্যাগনাসের সাথে। এলিসা কার্সেন জানিয়েছিলেন ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে এই কথা ছোট্ট এলিসার চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্নকে আরো গাঢ় করেছিল।

 

১২ বছর বয়সেই এরেস্টার সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে আলবামা,কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে, নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে অংশ নেয়। আকাশ সম্পর্কে তার অগাধ কৌতহলের জন্ম হয়। মহাকাশচারীর সহযোগিতা তাকে নিজের জীবনের লক্ষ্য নতুন করে চিনতে শিখিয়েছে। এ কারণেই হয়তো এই গ্রহের ওপারের যে রহস্য মঙ্গল জয়ের বাসনা বিজ্ঞানীদের অনবরত প্রচেষ্টা তাতে সে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছে।

এলিসা প্রথম মানুষ সন্তান হয়ে মঙ্গলের বুকে পা রাখতে চলেছে। সেখানে তিনি ২,৩ বছর ধরে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট চালাবেন,খাদ্য উৎপাদন করার চেষ্টা চালাবেন,বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানোর কাজ করবেন,মঙ্গলের বুকে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজবেন,সম্ভাবনাও খুঁজবেন।

 

মহাকাশ সম্পর্কে যে আগ্রহ ও কৌতূহল আছে বেঁচে থাকলে আর এক যুগের কিছু সময় পর এলিসা সে স্বপ্নের ভ্রমণে যাবেন। সেই লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করছেন,ট্রেনিং নিচ্ছেন,বিভিন্ন স্কিল শিখছেন।

যেনা করার পর তাকে বিয়ে করলে কি হয়?

ড্রেসিং করা মুরগি হালাল না হারাম ?

ফেসবুকে যুক্ত হউন


আপনার মতামত লিখুন :

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ